প্রিয়তি,
এখন আমার হাতে যে কলম,
তা আর কেবল শব্দ লেখে না,
এটি তোমার শরীরের ভেতর অনুভূতির জন্ম দেয়,
তোমার নীরবতার ভেতর আমার উপস্থিতি গড়ে তোলে।
আমি “হাত” লিখতেই
তোমার আঙুলগুলো অদৃশ্য আলিঙ্গনে জড়িয়ে যায়,
তালুর ভেতর ধীরে ধীরে উষ্ণ হয়ে ওঠে আমার স্পর্শ,
তুমি থেমে যাও,
আর সেই থেমে যাওয়াটুকুই হয়ে ওঠে আমাকে ধরে রাখার এক দীর্ঘ মুহূর্ত।
আমি “চিবুক” লিখতেই
তোমার মুখ নরম হয়ে নিচু হয়ে আসে,
লাজুক আলোর মতো ভেঙে পড়ে তোমার চারপাশ,
আর আমি শব্দের অন্তরালে
তোমার সেই অবনত সৌন্দর্যে হারিয়ে যাই নিঃশেষে।
“অধর” লিখতেই
তোমার ঠোঁট অকারণ কেঁপে ওঠে,
নিঃশব্দ এক চুম্বন সেখানে স্থির হয়ে থাকে,
আমার অদৃশ্য ভালোবাসা
তোমার শ্বাসের ভেতর ধীরে ধীরে মিশে যায়।
“গ্রীবা” লিখতেই
তোমার ত্বক বেয়ে নেমে আসে মৃদু শিহরণ,
আমার নিঃশ্বাস এসে থামে তোমার খুব কাছে,
তুমি চোখ বন্ধ করো
আর সেই বন্ধ চোখেই আমাকে স্পষ্ট অনুভব করো।
“চোখ” লিখতেই
তোমার দৃষ্টি আমার দিকে ফিরে আসে,
দূরত্ব তার সমস্ত সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলে,
আর তুমি নিশ্চিত হয়ে যাও
আমি তোমার ভেতরেই বাস করি, গভীর, অনিবার্য।
প্রিয়তি,
এই যাদুর কলমে কোনো প্রশ্ন জন্মায় না,
কোনো অপেক্ষা থাকে না
এখানে লেখা মানেই ঘটে যাওয়া,
অক্ষর মানেই স্পর্শ,
আর প্রতিটি অনুভূতি মানেই তুমি।
আমি “ভালোবাসি” লিখি না—
কারণ সে শব্দের সীমা আছে,
আমি শুধু লিখে যাই,
“প্রিয়তি... প্রিয়তি... প্রিয়তি...”
প্রতিটি অক্ষর তখন
তোমার শরীরে একেকটি কম্পন হয়ে জেগে ওঠে,
প্রতিটি উচ্চারণ
একেকটি দীর্ঘ, গভীর আলিঙ্গন হয়ে থাকে।
প্রিয়তি,
এই কলমের কালি ফুরোয় না
কারণ এটি লেখা হয় না,
এটি শুধু তোমার ভেতর
আমাকে ক্রমাগত জন্ম দিতে থাকে।
এখন আমার হাতে যে কলম,
তা আর কেবল শব্দ লেখে না,
এটি তোমার শরীরের ভেতর অনুভূতির জন্ম দেয়,
তোমার নীরবতার ভেতর আমার উপস্থিতি গড়ে তোলে।
আমি “হাত” লিখতেই
তোমার আঙুলগুলো অদৃশ্য আলিঙ্গনে জড়িয়ে যায়,
তালুর ভেতর ধীরে ধীরে উষ্ণ হয়ে ওঠে আমার স্পর্শ,
তুমি থেমে যাও,
আর সেই থেমে যাওয়াটুকুই হয়ে ওঠে আমাকে ধরে রাখার এক দীর্ঘ মুহূর্ত।
আমি “চিবুক” লিখতেই
তোমার মুখ নরম হয়ে নিচু হয়ে আসে,
লাজুক আলোর মতো ভেঙে পড়ে তোমার চারপাশ,
আর আমি শব্দের অন্তরালে
তোমার সেই অবনত সৌন্দর্যে হারিয়ে যাই নিঃশেষে।
“অধর” লিখতেই
তোমার ঠোঁট অকারণ কেঁপে ওঠে,
নিঃশব্দ এক চুম্বন সেখানে স্থির হয়ে থাকে,
আমার অদৃশ্য ভালোবাসা
তোমার শ্বাসের ভেতর ধীরে ধীরে মিশে যায়।
“গ্রীবা” লিখতেই
তোমার ত্বক বেয়ে নেমে আসে মৃদু শিহরণ,
আমার নিঃশ্বাস এসে থামে তোমার খুব কাছে,
তুমি চোখ বন্ধ করো
আর সেই বন্ধ চোখেই আমাকে স্পষ্ট অনুভব করো।
“চোখ” লিখতেই
তোমার দৃষ্টি আমার দিকে ফিরে আসে,
দূরত্ব তার সমস্ত সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলে,
আর তুমি নিশ্চিত হয়ে যাও
আমি তোমার ভেতরেই বাস করি, গভীর, অনিবার্য।
প্রিয়তি,
এই যাদুর কলমে কোনো প্রশ্ন জন্মায় না,
কোনো অপেক্ষা থাকে না
এখানে লেখা মানেই ঘটে যাওয়া,
অক্ষর মানেই স্পর্শ,
আর প্রতিটি অনুভূতি মানেই তুমি।
আমি “ভালোবাসি” লিখি না—
কারণ সে শব্দের সীমা আছে,
আমি শুধু লিখে যাই,
“প্রিয়তি... প্রিয়তি... প্রিয়তি...”
প্রতিটি অক্ষর তখন
তোমার শরীরে একেকটি কম্পন হয়ে জেগে ওঠে,
প্রতিটি উচ্চারণ
একেকটি দীর্ঘ, গভীর আলিঙ্গন হয়ে থাকে।
প্রিয়তি,
এই কলমের কালি ফুরোয় না
কারণ এটি লেখা হয় না,
এটি শুধু তোমার ভেতর
আমাকে ক্রমাগত জন্ম দিতে থাকে।