— যদি তোমাকে আর কিছুদিনের জন্য দূরে রাখা যেত?
— কেন?
— কারণ, আমার যে অনেক কথা বলা বাকি রয়ে গেছে !
মায়ের সাথে, বাবার সাথে, সন্তানদের সাথে, আর পুরোনো সেই বন্ধুদের সাথে...
আর যাকে আমি সত্যি ভালোবেসেছিলাম...
তাকে তো কোনোদিনই স্পষ্ট করে বলা হলো না,
আমার এই ছোট্ট জীবনে সে কতটা জুড়ে ছিল।
— সেই কথাগুলো তো তুমি এখনো বলতে পারো।
— সত্যি? তার মানে... তুমি কি আজই আমাকে নিতে আসোনি?
— না। তোমার বেঁচে থাকার গল্পে আজও কিছু কথা বলা বাকি রয়ে গেছে।
— কিন্তু... যদি কালই তুমি হুট করে চলে এসো?
— তাহলে যা বলার, আজই বলে দাও।
যাকে ভালোবাসো,
তার চোখের দিকে তাকিয়ে দ্বিধাহীনভাবে বলে দাও,
তুমি তাকে কতটা ভালোবাসো।
যার মনে কখনো অজান্তে কষ্ট দিয়েছ,
নত মস্তকে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নাও।
যে মানুষটি তোমার একটুখানি স্পর্শের জন্য,
একটু মনোযোগের জন্য নিঃশব্দে অপেক্ষা করে চলেছে,
তার পাশে গিয়ে আজ অন্তত কয়েক মুহূর্তের জন্য বোসো।
— কেন?
— কারণ, আমার যে অনেক কথা বলা বাকি রয়ে গেছে !
মায়ের সাথে, বাবার সাথে, সন্তানদের সাথে, আর পুরোনো সেই বন্ধুদের সাথে...
আর যাকে আমি সত্যি ভালোবেসেছিলাম...
তাকে তো কোনোদিনই স্পষ্ট করে বলা হলো না,
আমার এই ছোট্ট জীবনে সে কতটা জুড়ে ছিল।
— সেই কথাগুলো তো তুমি এখনো বলতে পারো।
— সত্যি? তার মানে... তুমি কি আজই আমাকে নিতে আসোনি?
— না। তোমার বেঁচে থাকার গল্পে আজও কিছু কথা বলা বাকি রয়ে গেছে।
— কিন্তু... যদি কালই তুমি হুট করে চলে এসো?
— তাহলে যা বলার, আজই বলে দাও।
যাকে ভালোবাসো,
তার চোখের দিকে তাকিয়ে দ্বিধাহীনভাবে বলে দাও,
তুমি তাকে কতটা ভালোবাসো।
যার মনে কখনো অজান্তে কষ্ট দিয়েছ,
নত মস্তকে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নাও।
যে মানুষটি তোমার একটুখানি স্পর্শের জন্য,
একটু মনোযোগের জন্য নিঃশব্দে অপেক্ষা করে চলেছে,
তার পাশে গিয়ে আজ অন্তত কয়েক মুহূর্তের জন্য বোসো।
জীবনের শেষ প্রহরে এসে দাঁড়ানোর আগেই...
অন্তত একটিবারের জন্য হলেও নিজের কাছে নিজে সত্যি হও।
অন্তত একটিবারের জন্য হলেও নিজের কাছে নিজে সত্যি হও।