আমি উড়তে চাই
যদিও জানি
মানুষের কোন উড়াল পাখা নেই
তবুও...
তবু আমি উড়বো শুন্যবলয় গ্রহে।
সুক্ষ্ণ মেধায় সঞ্চয় করব
বঞ্চিত, অ-লেখিত দৃশ্য-পট।
পটে অঙ্কিত ছবির মত
মনোহর যত সব কাণ্ড
সব মিলিয়ে লিখব কবিতা।
কবিতায় লিখব সে সব কথা
যা দেখা যায় না উড়াল না দিয়ে,
যা দেখতে পারে না কোন আবদ্ধ নেত্র।
নেত্রকে প্রসারিত করব আমি
আর উড়তে থাকব,
উড়তে-উড়তেই দেখব, লেখব।
লেখবো তাদের কথা
যারা ঘৃণীত, অবহেলিত, নির্যাতিত,
অত্যাচারিত, চির বঞ্চিত।
বঞ্চিতদের সঞ্চিত বাণী
কল্পিত স্বপ্নে অঙ্কিত করব
উড়তে-উড়তেই...।
আমি উড়তে চাই
যদিও জানি
মানুষের কোন উড়াল পাখা নেই,
তবুও...
তবু আমি যাবো মহা শুন্যে।
যে গ্রহে যেতে অক্ষম নভোচারী-
আমি বসত করব সেখানে।
আমি পরাজিত করব কাল
মহা সমুদ্র ও গ্রহান্তর ভেদ করে
আমি পৌঁছব সেখানে
যেখানে পৌঁছেছে দু'একজন
অথবা কেও না...!
আমার গতি হবে বাতাসের চেয়ে দ্রুত
অথচ মার্জিত, সংযত,
তৃতীয় প্রজন্ম চেয়ে থাকবে
আমার গতিময় উড়াল পানে
আর আমি হাসতে হাসতে উড়ব।
কেন না, কবিকে যে উড়তে হবেই...
তাই আমি উড়ব,
যদিও জানি
মানুষের কোন উড়াল পাখা নেই।