কালো আমার গলার মালা, গান আর বইয়েই শোভে।
গাছতলার সুখের আশায়, কে-ই বা বসত
ছাড়লো কবে?
“বাঘে-গরুতে এক ঘাটে জল খায়,কেউ দেখেছে কোন কালে ?
নদী কাঁকড়া ধরে পথ চিনতে শেখে লোকে কোন যুক্তিতে বলে ?
এসব প্রবাদ শুধু কল্পনার খামারে ফসল তোলে,
যেখানে মাঠ ভরে থাকে মেঘের ছায়ায়, আর
ধানগাছ কথা বলে বাতাসের নিঃশ্বাসে।
“আকাশে উড়লে ধান ফলবে, হায়রে ভ্রান্ত মনোভাব
“চাঁদ স্নান করে সকালের শিশিরে” আহা জানার কী অভাব !
“সময় হলে কাকও ময়ূরের পালক মেলে ধরে, কেমন করে বলো ?
“সোনার পাথরবাটি দিয়ে কেউ জল খায়নি কখনো।”মেনে নিই চলো !
এইসব অবাস্তব প্রায় প্রবাদেই গ্রামজীবনের গল্পেরা বেঁচে থাকে,
যেন ঝাড়ের ভেতর বাঁশের কঞ্চি,
যা ভাঙে না, শুধু দুলে উঠে
নতুন আশ্বাসে।
শালিকের ডানায় শিউলি-সকালের
রোদ আহা কী প্রবাদ
কাকের ডাকেও শোনা যায় না-কি অদ্ভুত শুভ সংবাদ!
গ্রামের আকাশে জেগে ওঠে চিরন্তন গান, জমে ওঠে মাটির হাসি,